ধান্যকুড়িয়া ভ্রমণ: ব্যর্থ পরিকল্পনার সফল বেড়ানো
জীবনের সব পরিকল্পনা সফল হয় না, কিন্তু কিছু ব্যর্থতা আমাদের নিয়ে যায় সুন্দর গন্তব্যে। বন্ধুদের সাথে ধান্যকুড়িয়া এক অপ্রত্যাশিত ভ্রমণের গল্প নিয়ে সাজানো।
Latest posts from AllBengal.
জীবনের সব পরিকল্পনা সফল হয় না, কিন্তু কিছু ব্যর্থতা আমাদের নিয়ে যায় সুন্দর গন্তব্যে। বন্ধুদের সাথে ধান্যকুড়িয়া এক অপ্রত্যাশিত ভ্রমণের গল্প নিয়ে সাজানো।
পাড়ার রাস্তায় সাইকেল নিয়ে যাচ্ছিল একজন। চুল পাতলা, পিঠ একটু বাঁকা। কিন্তু সেই হাঁটার ভঙ্গি। পঁচিশ বছর পর — 'রাজু?' — সে ঘুরে তাকাল। এক শব্দে বলল, 'আয়।' পলুর মা বললেন — 'শুধু পাশে ছিলি। সেটাই যথেষ্ট ছিল।'
বর্ধমানে এসেও আকাশটা একই ছিল। দেবাশিস প্রথম জিজ্ঞেস করেছিল পুরনো শহরের কথা। তিয়াশা চলে যাওয়ার আগে একটা চিঠি দিয়েছিল। আর রনি একদিন জিজ্ঞেস করল — "নস্টালজিয়া মানে কী?" উত্তরের জন্য অনিমেষকে Google Maps খুলতে হলো না।
জুলাই ১৯৯৭-এর বৃষ্টিতে আম গাছের নিচে পলু কাঁদছিল। অনিমেষ পাশে বসেছিল, কিছু বলেনি। শুধু ছিল। পলু ২০০৩ সালে মারা যায়। কিন্তু সেই বৃষ্টির দুপুর — সেই নীরব পাশে থাকাটা — কোনোদিন মরে না।
চৈত্রের এক কাঠফাটা দুপুরে কারেন্ট চলে গেলে বিয়াল্লিশ বছরের অনিমেষের স্মৃতিতে ফিরে ফিরে আসে গোপালনগরের সেই নিস্তব্ধ দুপুর। সেই জামরুল গাছ, সেই রাস্তার ধুলো, রাজু আর পলুর হাসি — যা কখনো যায়নি, শুধু চাপা পড়েছিল।