By Ziya Pub Mar 23 Upd Mar 23

বারাসাতের নীল আকাশ - নবম পর্ব : অর্ণবের গল্পের শেষ লাইন ও তিতলি

অর্ণব তার প্রথম গল্প 'নীল মলাটের বই' শেষ করে তিতলিকে পড়তে দেয়। শব্দলোকে বসে তিতলি যখন গল্পটি পড়ছে, অর্ণব তখন এক অজানা আশঙ্কায় ও উত্তেজনায় দিন গুনছে।

বারাসাতের নীল আকাশ - নবম পর্ব : অর্ণবের গল্পের শেষ লাইন ও তিতলি

Bengali Serial Fiction  ✦  নবম পর্ব

বারাসাতের নীল আকাশ

"গল্পের শেষ লাইন"

 

সোমবার থেকে শুক্রবার। পাঁচটা দিন।

অর্ণব প্রতিদিন অফিস গেল। কাজ করল। ফিরল। রাতে খেল। ঘুমাল।

কিন্তু প্রতিদিনের এই সাধারণ ছন্দের মধ্যে একটা অসাধারণ কাজ করছিল সে।

লিখছিল।

প্রতি রাতে।

ডায়েরিটা আর ডায়েরি নেই — এখন সেটা একটা গল্পের খাতা। নীল কালির কলমে, কখনো কাটাকুটি, কখনো পুরো পাতা মুছে নতুন করে।

গল্পের নাম — "নীল মলাটের বই"

আকাশ — বারাসাতের ছেলে। সাতাশ বছর। ইঞ্জিনিয়ার। বই পড়ে, ভাবে, লিখতে চায় কিন্তু সাহস পায় না।

ময়ূরী — পঁচিশ বছর। গ্রাফিক ডিজাইনার। ছবি আঁকে। বৃষ্টিতে ভেজে। সরাসরি কথা বলে।

দুজনের দেখা হয় একটা স্টেশনে। তারপর একটা বইয়ের দোকানে। তারপর একটা নদীর ধারে।

শুক্রবার রাতে গল্পটা শেষ হল। শেষ লাইনটা লিখতে অর্ণব অনেকক্ষণ বসে রইল। কী লিখবে? আকাশ কি ময়ূরীকে বলবে? সরাসরি? মুখে?

শেষ লাইন

"আকাশ সেদিন ময়ূরীর দিকে তাকিয়ে ভাবল — কিছু কথা আছে যেটা বলা যায় না। শুধু থাকা যায়। পাশে। সেই থাকাটাই বলা।"

শনিবার সকালে তিতলিকে মেসেজ

"গল্পটা শেষ হয়েছে।"    "সত্যি?"    "হ্যাঁ।"

"কাল পড়াবে?"    "হ্যাঁ। তবে একটা শর্ত।"    "কী শর্ত?"

"পড়তে পড়তে মুখে কিছু বলবে না। শেষ হলে বলবে। কারণ লেখক হিসেবে আমি ভয়ে থাকব। মাঝখানে কিছু বললে আরো ভয় পাব।"

"আচ্ছা। কথা।"    "কথা।"

"ঘুমাও। কাল সকালে আসো।"    "সকালে?"    "হ্যাঁ।"

"আর অর্ণব — ঘাবড়িও না।"


রবিবার সকাল।

অর্ণব ঘুম থেকে উঠল আগেভাগে। মুখ ধুল। চা খেল। গল্পের খাতাটা হাতে নিল।

পাতলা খাতা। মাত্র বারো পাতা।

কিন্তু এই বারো পাতায় যা আছে — সেটা তার। সম্পূর্ণ তার। নিজের ভাষায়, নিজের চোখে দেখা পৃথিবী।

শব্দলোকে পৌঁছাল সাড়ে নটায়। তিতলি আগেই এসেছে। আজ হলুদ কুর্তা। চুল খোলা।

"আয় আয়।" নিতাইদা বললেন। ভেতরে গেল দুজন। সেই ছোট্ট পেছনের ঘর। দুটো চেয়ার। নিতাইদা বিনা প্রশ্নে চা দিয়ে গেলেন। তারপর দরজা ভেজিয়ে দিলেন।

অর্ণব খাতাটা টেবিলে রাখল। তিতলি তাকাল।

"এটা?"    "হ্যাঁ।"    "পড়ব?"    "পড়ো।"

"তুমি থাকবে?"    "থাকব। কিন্তু দেখব না। মানে তোমার মুখের দিকে তাকাব না।"

তিতলি হাসল। "ঠিক আছে।" সে পড়তে শুরু করল।

অর্ণব চোখ রাখল বাইরে।

জানালা দিয়ে চাঁপাতলার গলি। সকালের রোদ পড়েছে পুরনো দেওয়ালে। একটা বেড়াল হাঁটছে। দূরে কেউ সাইকেলে যাচ্ছে।

কিন্তু মন আছে ঘরে। তিতলি পড়ছে। শব্দ নেই। শুধু পাতা উলটানোর শব্দ।

প্রথম পাতা · দ্বিতীয় পাতা · তৃতীয় · পঞ্চম · ষষ্ঠ

অর্ণব নিজেকে বলল — দেখব না। কিন্তু চোখ গেল।

সপ্তম পাতায় তিতলি একটু থামল

অর্ণব বুঝল — এখানে সেই অংশটা।

যেখানে আকাশ আর ময়ূরী প্রথমবার একসাথে বৃষ্টিতে আটকে পড়ে। আর ময়ূরী বলে — বৃষ্টিতে ভেজা মানে অনুভব করা। দেখা নয়।

তিতলি থামল। পাতাটা আবার পড়ল। তারপর এগোল।

দশম পাতা — একটু বেশি সময়

আকাশ আর ময়ূরী নদীর ধারে। ময়ূরী পাথর ছোঁড়ে। ঢেউ ওঠে। আকাশ বলে — ছোট্ট পাথর, কিন্তু ঢেউ অনেক দূর যায়। তারপর দুটো শব্দ বলে দুজন। হ্যাঁ। আমিও।

একাদশ পাতা — তিতলির হাতটা একটু কাঁপল

অর্ণব দেখল। দেখার কথা ছিল না। কিন্তু দেখল।

আকাশ ময়ূরীর ডায়েরি দেখে। সেখানে প্রথম দিনের ছবি। স্টেশনের বেঞ্চে পেছন থেকে আঁকা একটা মানুষ।

ময়ূরী জিজ্ঞেস করে — কিছু বলবে না?

আকাশ বলে — কিছু কিছু অনুভূতি বললে ছোট হয়ে যায়।

ময়ূরী বলে — তাহলে অনুভব করো।

দ্বাদশ পাতা — শেষ পাতা

"আকাশ সেদিন ময়ূরীর দিকে তাকিয়ে ভাবল — কিছু কথা আছে যেটা বলা যায় না। শুধু থাকা যায়। পাশে। সেই থাকাটাই বলা।"

নীরবতা।

তিতলি খাতা বন্ধ করল। টেবিলে রাখল। চুপ করে বসে রইল।

এক মিনিট। দুই মিনিট।

তিতলি মুখ তুলল। অর্ণব দেখল।

তিতলির চোখ ভেজা।

একফোঁটা নয় — চোখের কোণে জল জমে আছে।

"তিতলি—"    "চুপ করো।" আস্তে বলল। রাগে নয়। অন্য কোনো কারণে।

অর্ণব চুপ করল।

"ময়ূরী কি আমি?"    অর্ণব উত্তর দিল না। দেওয়ার দরকার নেই। তিতলি জানে।

"আকাশ কি তুমি?"

নীরবতা। জানালা দিয়ে রোদ এসেছে। বাইরে একটা পাখি ডাকছে।

"লেখাটা," তিতলি বলল, "অনেক সুন্দর।"    "সত্যি বলছ?"    "আমি সবসময় সত্যি বলি।"

"কোন অংশটা—"    "সব।" তিতলি বলল। "কিন্তু একটা অংশ সবচেয়ে বেশি।"

"কোনটা?"    "যেখানে ময়ূরী বলে — তাহলে অনুভব করো।"

"কারণ এটা আমি বলতে চেয়েছিলাম। তোমাকে। কিন্তু বলতে পারিনি। এখন তুমি লিখে দিয়েছ। আমাকে বলতে হল না।"

"অর্ণব।" "হুম।" "তুমি লিখতে পারো।" "মানে?" "মানে সত্যিকারের লিখতে পারো। অনেক মানুষ গল্প লেখে। কিন্তু অনুভূতি লেখে কম। তুমি অনুভূতি লিখেছ।"

"এই লেখাটা রাখো। আরো লেখো।"    "যদি ভালো না হয়?"    "আমাকে দেবে। আমি বলব।"

"তুমি সমালোচনা করবে?"    "হ্যাঁ। সৎভাবে। কিন্তু সাথে থাকব।"

অর্ণব তাকাল। "সাথে থাকবে?"

তিতলি তাকাল। চোখে চোখ।

"থাকব।"

নিতাইদা ডাকলেন। "চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।" দুজনেই হাসল। চায়ে চুমুক দিল।


"তুমি কি বলতে চাও কিছু?"

"এই মুহূর্তটা। এই প্রশ্নটা। অর্ণব জানত — একদিন এই প্রশ্নটা আসবে।"

নিতাইদা বলেছিলেন — সত্যনিষ্ঠ হও।

বাবা বলেছিলেন — মন ছাড়া বাস্তব নিষ্প্রাণ।

তিতলি বলেছে — আমি সরাসরি মানুষ। সরাসরি মানুষের সামনে সরাসরি থাকতে হয়।

"হ্যাঁ।" অর্ণব বলল। "কী বলতে চাও?" অর্ণব তাকাল। সরাসরি।

"তিতলি।" "হুম।" "তুমি আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।"

তিতলি চুপ।

"প্রথম দিন থেকে কিছু একটা ছিল। জানতাম না কী। এখন জানি।"

"কী?"

"তোমাকে দেখলে মনে হয় — পৃথিবীটা একটু বেশি সুন্দর।"

"তোমার কথা শুনলে মনে হয় — জীবনটা একটু বেশি অর্থবহ।"

"তোমার পাশে থাকলে মনে হয় — আমি ঠিক জায়গায় আছি।"

"এটাকে কী বলে?" অর্ণব বলল।

তিতলি চুপ করে রইল। অনেকক্ষণ। বাইরে পাখি ডাকছে। বাতাস আসছে জানালা দিয়ে।

তারপর তিতলি বলল —

"ভালোবাসা।"

একটা শব্দ। ছোট্ট। কিন্তু এই শব্দটা বলতে গিয়ে তার গলা একটু কাঁপল।

অর্ণব তাকাল। তিতলির চোখে আবার জল। এবার একফোঁটা গড়িয়ে পড়ল।

অর্ণব কিছু বলল না। হাত বাড়াল। টেবিলের উপর। তিতলির হাতের কাছে।

কাছে। স্পর্শ নয়। শুধু কাছে।

তিতলি দেখল। তারপর আস্তে — অনেক আস্তে — হাতটা রাখল।

অর্ণবের হাতের উপর।

এক মুহূর্ত। শুধু এক মুহূর্ত।

তারপর তিতলি হাত সরিয়ে নিল।

 

কিন্তু সেই এক মুহূর্তে — সব বলা হয়ে গেল।

তিতলি চোখ মুছল। "কাঁদছ কেন?" অর্ণব আস্তে জিজ্ঞেস করল।

"মাঝে মাঝে কিছু জিনিস অনেকদিন ধরে বুকের ভেতর থাকে। তারপর হঠাৎ বাইরে আসে।"

"কী ছিল বুকের ভেতরে?"

"এই কথাগুলো। তোমার মুখ থেকে শোনার অপেক্ষা।"

"অপেক্ষা করছিলে?"    "হুম।"    "কতদিন?"

"প্রথম দিন থেকে।" একটু লজ্জা পেল। "বোকার মতো শোনাচ্ছে।"

"না। আমিও প্রথম দিন থেকে।"

"মনে আছে — তুমি বলেছিলে একই লাইন, অভিজ্ঞতা বদলালে অর্থ বদলায়?"    "মনে আছে।"

"সেই কথাটা শুনে মনে হয়েছিল — এই মানুষটা আলাদা।"

"আমারও মনে হয়েছিল।"    "কী মনে হয়েছিল?"

"মনে হয়েছিল — এই মানুষটা বই পড়ে শুধু গল্প পড়ে না। জীবন পড়ে।"

ঘরে একটা উষ্ণতা।

বাইরে রোদ বেড়েছে। শব্দলোকের পুরনো ঘরে হলুদ আলো।

চায়ের কাপ ঠান্ডা হয়ে গেছে। কেউ খেয়াল করেনি।

"অর্ণব। তুমি কি জানো — কেন আজ কাঁদলাম?"

"কারণ তুমি আমাকে নিয়ে লিখেছ। গল্পে রেখেছ। কেউ কখনো আমাকে নিয়ে কিছু লেখেনি।"

"কেউ যখন তোমাকে নিয়ে লেখে — মানে সে তোমাকে দেখেছে। সত্যিকারের দেখেছে। শুধু চোখ দিয়ে নয়।"

"কী দিয়ে?"

তিতলি বুকে হাত রাখল।

"এইটা দিয়ে।"

"তিতলি।" "হুম।" "আমি আরো লিখব।" "জানি।" "তোমাকে নিয়ে।"

তিতলি হাসল। "আমার অনুমতি লাগবে না?" "লাগবে।" "নাও।" "দিচ্ছ?" "দিচ্ছি।"

নিতাইদা দরজায় উঁকি দিলেন। দুজনকে দেখলেন। কিছু বললেন না। শুধু নতুন দুকাপ গরম চা রেখে গেলেন। যাওয়ার সময় বললেন, "ঠান্ডা হওয়ার আগে খাও।"

"নিতাইদা সব জানেন।" "হ্যাঁ।" "কীভাবে?"

"কারণ নিতাইদা বই পড়েন সারাজীবন। বই পড়া মানে মানুষ পড়া।"

"তুমিও বই পড়।" "আমিও।" "তাহলে তুমিও মানুষ পড়।" "তোমাকে পড়ি।"

তিতলি একটু লাল হল। চায়ের কাপে মুখ লুকাল।

বাইরে বেরোল দুজন।

বারাসাতের রবিবারের রোদ। উজ্জ্বল।

একটা বাচ্চা সাইকেল চালাতে শিখছে, বাবা পেছনে ধরে আছেন।

"বাচ্চাটা ভয় পাচ্ছে।" তিতলি বলল। "কিন্তু বাবা ছেড়ে দেননি।"

"একদিন ছাড়তে হবে।"    "হ্যাঁ। কিন্তু ততদিনে বাচ্চাটা শিখে যাবে।"

দুজন দেখল। বাচ্চাটা একটু হোঁচট খেল। সামলাল। আবার চালাল। তারপর বাবা আস্তে হাত সরালেন। বাচ্চাটা জানে না। চালিয়ে যাচ্ছে। একা।

"বুঝলে?"    "বুঝলাম।"    "কী বুঝলে?"

"ভালোবাসা মানে শুধু ধরে থাকা নয়। মাঝে মাঝে ছেড়ে দেওয়াও।"

"তুমি কবিতার মতো কথা বলো।"    "তোমার প্রভাব।"    "আমার?"

"তুমি ছবির মতো কথা বলো। আমি কবিতার মতো কথা বলি। কোথাও একটা মিলে গেছে।"

কদমতলার মোড়ে।

"এটা সত্যিই রাখব?"    "রাখো। গল্পটা তোমার। তুমিই ময়ূরী।"

"তোমার কাছে রাখব সব?"    "রাখো। তুমিই তো এগুলোর কারণ।"

"অর্ণব, আজকে তুমি যা বললে — যে আমাকে দেখলে পৃথিবী সুন্দর লাগে।"

"আমিও। তোমাকে দেখলে।" একটু লজ্জা পেল। "পৃথিবীটা একটু বেশি সুন্দর লাগে।"

তিতলি যেতে যেতে ঘুরল। "গল্পটার নাম কী রেখেছ?"    "নীল মলাটের বই।" তিতলি একটু ভাবল।

"কারণ জীবনানন্দের বইটার মলাট হলুদ ছিল। তোমার গল্পের মলাট নীল।"

"জীবনানন্দ বনলতা সেনকে নিয়ে হলুদ মলাটে লিখেছেন। তুমি ময়ূরীকে নিয়ে নীল মলাটে লিখেছ। মানে তুমি তোমার নিজের জীবনানন্দ।"

অর্ণব থমকে গেল। কেউ তাকে কখনো এভাবে বলেনি।

"তিতলি—"    "যাই।" সে হাসল। "বেশি বললে মাথা ঘুরে যাবে তোমার।" বলে চলে গেল।

অর্ণব দাঁড়িয়ে রইল। রোদে। বারাসাতের মোড়ে।

তুমি তোমার নিজের জীবনানন্দ।

পাশ দিয়ে একটা রিকশা গেল। রিকশাওয়ালা তাকাল। অর্ণব হাসছে। রিকশাওয়ালা নিজেও হাসল।

বাড়ি ফিরে অর্ণব সরাসরি ডায়েরি খুলল।

দ্বিতীয় গল্প — শুরু হচ্ছে

"কিছু মানুষ আসে। আসার পরে বোঝা যায় — এই মানুষটার জন্যই এতদিন অপেক্ষা ছিল। জানা ছিল না। কিন্তু ছিল।"

"দ্বিতীয় গল্প শুরু করলাম।"    "আমার কথা আছে?"    "প্রথম লাইনেই।"

"পড়তে দেবে?"    "যখন শেষ হবে।"    "কতদিন লাগবে?"    "জানি না। হয়তো অনেকদিন।"

"ঠিক আছে। অপেক্ষা করব।"

"তিতলি।" "হুম।" "আজকে যা বললে — নিজের জীবনানন্দ — এই কথাটা লিখে রেখেছি।"

"মুছে ফেলো না।"    "কখনো না।"

রাতে ঘুমের আগে অর্ণব ছাদে গেল।

বারাসাতের রাত। আজ একটু মেঘ। তারা ঢাকা। কিন্তু চাঁদ আছে। মেঘের আড়ালে। আলো দেখা যাচ্ছে।

আজকে একটা শব্দ শুনল।

ভালোবাসা।

তিতলির মুখে। কাঁপা গলায়।

এই শব্দটা এতদিন বুকের ভেতর ঘুরছিল। আজকে বাইরে এল।

এখন এই শব্দটা দুজনের মাঝে।

শব্দলোকের বাইরে।

নিতাইদার চায়ের ধোঁয়ার মতো।

উপরে উঠে যাচ্ছে।

কিন্তু যাওয়ার আগে উষ্ণ করে যাচ্ছে। সবকিছু।

✦ নবম পর্বের সমাপ্তি ✦

পরের পর্বে

গ্রীষ্ম এসে গেছে। বারাসাতে গরম পড়েছে। কিন্তু সন্ধ্যার বাতাস এখনো মিষ্টি। অর্ণব তিতলিকে প্রথমবার বাড়িতে নিয়ে এল। মায়ের হাতের রান্না। বাবার সাথে কথা। আর সন্ধ্যায় ছাদে দুজন — বারাসাতের আকাশ দেখতে দেখতে — একটা ছোট্ট প্রতিশ্রুতি।

অপেক্ষায় থাকুন — দশম পর্ব: "ছাদের আকাশ"

গল্প লেখা আর জীবন লেখা আলাদা নয়। দুটোতেই একটু একটু করে এগোতে হয়। মুছতে হয়। আবার লিখতে হয়। অর্ণব আজ বুঝল — সে আসলে নিজের জীবনটাই লিখছে। কলমে নয়, প্রতিটা রবিবারে। প্রতিটা মেসেজে। প্রতিটা চায়ের কাপে। আর ময়ূরী — মানে তিতলি — সেই গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়।

Analytics

Unique visitors

0

Visits

0

Reactions

0

💬 Comments (0)

No comments yet.

💌 Share Your Opinion With Us

📖 Read More Articles

Explore more articles and discover interesting stories from our blog.

View All Articles →