বারাসাতের নীল আকাশ - পঞ্চম পর্ব: তিতলি ও অর্ণবের সম্পর্কের নতুন মোড়
অর্ণব ও তিতলির প্রতিদিনের কথোপকথন আর ছোট ছোট মুহূর্তের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠছে এক গভীর সম্পর্ক। ইছামতী নদীর পাড়ে তাদের প্রথম দেখা হওয়ার অপেক্ষায় কাটছে সময়।
Bengali Serial Fiction ✦ পঞ্চম পর্ব
বারাসাতের নীল আকাশ
"নদীর কাছে কিছু কথা"
ইতিমধ্যে অর্ণব একটা কোম্পানিতে যোগ দিয়েছে।
সোমবার সকালে প্রথম মেসেজটা এল সাতটায়।
"উঠেছেন? আজ অফিস আছে। — তিতলি"
অর্ণব তখনো বিছানায়। চোখ আধবোজা। ফোনটা হাতে নিয়ে পড়ল।
হাসল।
ঘুমের মধ্যে হাসা — এটা একটা অদ্ভুত অনুভূতি। মুখটা নিজেই বাঁকে, মন বলার আগে।
"উঠছি। আপনি?"
"আমি অনেকক্ষণ আগে উঠেছি। চা বানাচ্ছি।"
"কী চা?"
"আদা চা। মা বানান, আমি শুধু ঢালি।"
"সৎ মানুষ।"
"মিথ্যে বলে লাভ কী? যাই, অফিস আছে। আপনারও আছে নিশ্চয়ই?"
"আছে।"
"যান তাহলে। শুভ সকাল।"
"শুভ সকাল।"
এইভাবে শুরু হল সাতটা দিন।
প্রতিদিন সকালে একটা মেসেজ। প্রতিদিন রাতে একটা কথা।
মাঝখানে অফিস, কাজ, বাস, ট্রেন — সব আগের মতোই। কিন্তু সব কিছুর ভেতর একটা হালকা সুর বাজছে। যেটা আগে ছিল না।
মঙ্গলবার রাতে ফোন করল তিতলি।
"ফোন করব?" "করুন।"
ফোন এল। প্রথম কয়েক সেকেন্ড দুজনেই একটু চুপ।
"কেমন কাটল দিনটা?" "এমনিই। আপনার?"
"একটু ক্লান্ত। একটা বড় প্রজেক্ট ছিল। ক্লায়েন্ট পছন্দ করেননি।"
"কোন রং ছিল?" "নীল। ক্লায়েন্ট চায় লাল।" "লাল দিয়ে দিন।" "কিন্তু নীলটা বেশি মানানসই।" "তাহলে বোঝান।" "বোঝালাম। শুনলেন না।"
"তাহলে লাল দিয়ে দিন। কিন্তু মনে রাখুন, আপনি জানেন নীলটা ভালো ছিল। সেই জ্ঞানটা রইল। পরের কাজে কাজে লাগবে।"
"এই কথাটা আমার দরকার ছিল।" তিতলি বলল। "কারণ আমি একটু বেশি মন খারাপ করছিলাম। মনে হচ্ছিল আমার পছন্দটাই ভুল।"
"পছন্দ কখনো ভুল হয় না। প্রেক্ষাপট বদলায়।"
"আপনি ভালো শ্রোতা।" "আপনিও ভালো বলেন।" "মিলে গেল তাহলে।"
দুজনেই হাসল।
সেই রাতে কথা হল এক ঘণ্টা। বিষয় বদলাল — অফিস থেকে গান, গান থেকে ছোটবেলা, ছোটবেলা থেকে ভবিষ্যৎ।
রাত বারোটায় তিতলি বলল, "ঘুমানো উচিত।" "হ্যাঁ।" "কিন্তু কথা ফুরাচ্ছে না।"
"কথা কখনো ফোরায় না। শুধু থামানো যায়।"
"তাহলে থামাই।" "থামান।" "শুভরাত্রি।" "শুভরাত্রি।"
ফোন রাখার পরেও অর্ণব কিছুক্ষণ শুয়ে রইল। ছাদ দেখছিল। ঘরের ছাদ। সাদা। কিন্তু মাথায় অন্য ছবি।
প্রতিদিন সকাল শুরু হয় একটা মেসেজে। প্রতিদিন রাত শেষ হয় একটা কথায়।
মাঝখানে দুজনের নিজের জীবন — কাজ, ক্লান্তি, ছোট ছোট ঘটনা।
কিন্তু এই সব ছোট ঘটনাগুলো বলার একটা মানুষ হয়ে গেল।
এইটুকুই অনেক।
জীবনে একটা মানুষ থাকলে — যাকে বলা যায় আজ বাসে বসেছিলাম জানালার ধারে, রোদ লাগছিল, ভালো লেগেছে — সেই মানুষটাই সবচেয়ে কাছের মানুষ।
শনিবার রাতে তিতলি বলল, "কাল কোথায় যাব জানেন?"
"কোথায়?"
"ইছামতী।"
অর্ণব একটু থামল। "নদীতে?"
"হ্যাঁ। বারাসাত থেকে বেশি দূরে নয়। একটু বাইরে। সকাল সকাল বেরোতে পারবেন?" "পারব।" "ন'টায়?" "ন'টায়।"
"শুভরাত্রি।" "শুভরাত্রি।"
ফোন রাখার পরে অর্ণব একটু বসে রইল। ইছামতী। সেই নদীর কথা সে জানে। বসিরহাটের পাশ দিয়ে বয়ে যায়। বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে। একটু নিরিবিলি, একটু পুরনো।
নদীর কাছে যাওয়া — এটা অন্যরকম। শব্দলোকের বই থেকে, চায়ের দোকান থেকে, শহরের গলি থেকে — একটু বাইরে। একটু বেশি খোলামেলা।
রবিবার সকালে আকাশ পরিষ্কার।
একটুও মেঘ নেই। শীতের শেষের এই রোদটা বছরের সেরা রোদ — না কড়া, না নরম। ঠিক মাঝামাঝি। গায়ে লাগলে একটা তৃপ্তি আসে।
অর্ণব বেরোল সাড়ে আটটায়। নির্ধারিত জায়গায় — বারাসাত স্টেশন এ — পৌঁছে দেখল তিতলি আগেই এসেছে। আজকের পোশাক — হালকা কমলা রঙের সালোয়ার। চুল খোলা। হাতে একটা ছোট্ট ব্যাগ।
ট্রেনে দুজন পাশাপাশি। জানালা দিয়ে বাতাস আসছে। দুপাশে মাঠ, গাছ। শহর কমছে, প্রকৃতি বাড়ছে।
তিতলি জানালার বাইরে তাকিয়ে আছে। অর্ণব দেখছে তিতলিকে।
বাতাসে চুল উড়ছে। সে সেটা সরাচ্ছে না — উড়তে দিচ্ছে।
"কী দেখছেন?" তিতলি সামনে তাকিয়েই বলল। অর্ণব একটু চমকাল। "কিছু না।" "আবার মিথ্যে।" "আপনি কীভাবে বুঝলেন?"
"কারণ আপনি মিথ্যে বলার সময় একটু থামেন।"
অর্ণব অবাক হল। "এত খেয়াল করেন?"
তিতলি এবার তার দিকে তাকাল। একটু হাসল। "হয়ে যায়।"
নদীর কাছে পৌঁছাল।
ইছামতী। নদীটা ছোট নয়, বড়ও নয়। মাঝারি। জলের রং একটু সবুজাভ। দুপাশে গাছ — কেওড়া, বাবলা, মাঝে মাঝে তাল।
নীরব।
এই নীরবতা শহরের নীরবতা নয় — শুধু জলের শব্দ, পাখির শব্দ, বাতাসের শব্দ।
তিতলি একটু দাঁড়াল। বুক ভরে শ্বাস নিল। চোখ বন্ধ করল একটু। তারপর খুলল।
"কতদিন আসিনি।" "আগে আসতেন?" "হ্যাঁ। বাবার সাথে। অনেক ছোটবেলায়। বাবা মাছ ধরতেন। আমি পাড়ে বসে পাথর ছুঁড়তাম।"
"পাথর ছোঁড়া মনে হচ্ছে আপনার প্রিয় কাজ।"
তিতলি হাসল। "পুকুরে, নদীতে — যেখানেই জল সেখানেই পাথর ছুঁড়ি। জলের বুকে ঢেউ দেখতে ভালো লাগে।" "কেন?"
সে একটা ছোট্ট পাথর তুলল পাড় থেকে। ছুঁড়ে দিল নদীতে। ঢেউ উঠল। গোল হয়ে ছড়িয়ে গেল।
"একটা ছোট্ট পাথর, কিন্তু ঢেউটা অনেক দূর যায়।"
অর্ণব দেখল। "আমরাও এরকম।" "মানে?"
"মানে, ছোট ছোট কথা, ছোট ছোট মুহূর্ত — কিন্তু সেগুলোর ঢেউ অনেকদিন যায়।"
তিতলি নদীর দিকে তাকিয়ে রইল। ঢেউটা তখনো যাচ্ছে।
পাড়ে ঘাসে বসল দুজন। কাছাকাছি — এতদিনের চেয়ে একটু বেশি কাছে।
ব্যাগ থেকে তিতলি বের করল — দুটো কমলালেবু। "নিন।" "কোথায় পেলেন?" "বাড়ি থেকে এনেছি। মা দিয়েছিলেন।"
"মা জানেন কোথায় যাচ্ছেন?" "জানেন নদীর ধারে যাচ্ছি।" একটু থামল। "বাকিটা এখনো বলিনি।"
বাকিটা — এই শব্দটা আবার।
অর্ণব কমলালেবু নিল। ছাড়াতে ছাড়াতে বলল, "আপনার মায়ের সাথে কেমন সম্পর্ক?"
"অনেক ভালো। মা আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু। সব বলি। শুধু—" থামল। "শুধু এই বিষয়টা একটু নতুন। কীভাবে বলব ভাবছি।"
অর্ণব বুঝল — কিছু কথা আছে যেটা সরাসরি জিজ্ঞেস করতে নেই। সময় হলে আসে।
"ইছামতীর একটা ইতিহাস আছে।"
একটা নৌকা যাচ্ছে দূরে। মাঝি বৈঠা বাইছে ধীরে ধীরে।
"কী ইতিহাস?" "বিভূতিভূষণ এই নদীকে নিয়ে লিখেছেন। 'ইছামতী' উপন্যাস। এই নদীর পাড়েই অনেক গল্প হয়েছে।"
তিতলি নদীর দিকে তাকাল নতুন করে। যেন নতুন অর্থ খুঁজছে। "নদীরও গল্প থাকে।" "থাকে। নদী সাক্ষী থাকে। অনেক কিছুর।"
"এই নদী দেশভাগ দেখেছে। এই নদীর ওপাশ একসময় অবিভক্ত বাংলা ছিল। মানুষ পেরোত। তারপর একদিন সীমানা হল। মানুষ আটকে গেল।"
"এই নদী প্রেম দেখেছে। হয়তো এই পাড়েই কোনো মেয়ে অপেক্ষা করেছে। হয়তো কোনো ছেলে নৌকায় পেরিয়ে গেছে — আর ফেরেনি।"
"এত বিষণ্ণ কেন?" "নদীর গল্প সবসময় একটু বিষণ্ণ। কারণ নদী চলে যায়। থামে না।"
তিতলি নদীর দিকে তাকাল।
"কিন্তু জল যায়, নদী থাকে।"
অর্ণব তিতলির দিকে তাকাল। এই কথাটা তাৎক্ষণিক বলা। কিন্তু এত গভীর।
জল যায়, নদী থাকে।
মানুষ যায়, স্মৃতি থাকে।
মুহূর্ত যায়, অনুভূতি থাকে।
অনেকক্ষণ বসে রইল দুজন।
একসময় তিতলি বলল, "অর্ণবদা, আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?" "করুন।" "সত্যি বলবেন?" "চেষ্টা করব।"
তিতলি নদীর দিকে তাকিয়ে রইল। অর্ণবের দিকে তাকাল না।
"আপনি কি আমাকে পছন্দ করেন?"
নদীর জল বয়ে যাচ্ছে। একটা পাখি ডাকছে দূরে। বাতাস আসছে।
অর্ণব চুপ করে রইল। একটু।
অর্ণব জানে — এই প্রশ্নের উত্তর কী। প্রথম দিন থেকে জানত হয়তো। সেদিন স্টেশনে যখন হলুদ মলাটের বই দেখেছিল। যখন সেই ঠোঁটের কোণের হাসি দেখেছিল।
কিন্তু বলা আর জানা আলাদা। বলতে গেলে একটা সাহস লাগে।
নদীর দিকে তাকাল সে।
নদী বলছে — চলো। থামলে হয় না।
"হ্যাঁ।"
একটা শব্দ। ছোট্ট। কিন্তু এই একটা শব্দের ভেতর অনেক কিছু।
তিতলি এবার তাকাল। সরাসরি। চোখে চোখ।
এই তাকানোটা আগের সব তাকানোর চেয়ে আলাদা। আগে ছিল কৌতূহলের তাকানো। এটা অন্যরকম। এটা — স্বীকৃতির তাকানো।
"আমিও।"
শুধু এটুকু। দুটো শব্দ। কিন্তু এই দুটো শব্দে একটা পূর্ণতা ছিল।
চুপ করে বসে রইল দুজন।
অনেকক্ষণ।
কথা নেই। কিন্তু এই চুপ করে থাকাটা আজ সবচেয়ে বেশি কথা বলল।
নদী বয়ে গেল। রোদ একটু সরল। একটা সাদা বক উড়ে গেল মাথার উপর দিয়ে।
তিতলি বলল, "ভয় লাগছে।" "কীসের?" "জানি না ঠিক।" একটু ভাবল। "হয়তো এটা সত্যি কিনা সেটা নিয়ে। এই অনুভূতি। এত দ্রুত হয় নাকি?"
অর্ণব একটু হাসল। "আমিও জিজ্ঞেস করেছিলাম নিজেকে।" "কী উত্তর পেলেন?"
"দ্রুত বা ধীর সেটা মাপা যায় না। হয় বা হয় না।"
তিতলি নদীর দিকে তাকাল। "বিভূতিভূষণের বই পড়িনি ইছামতী।" "পড়বেন।" "পড়ব। তার আগে এই নদীটা নিজে দেখলাম। ভালোই হল।" "কেন?"
"কারণ এখন পড়লে বুঝব। শুধু বইয়ের নদী নয় — এই নদী। এই রোদ। এই ঘাস।"
অর্ণব তিতলির কথা শুনল। এই মেয়ে সব কিছু আগে অনুভব করে, পরে বোঝে। এটা বিরল।
ফেরার সময় হল। উঠতে গিয়ে তিতলি একটু হোঁচট খেল — মাটি একটু নরম ছিল। অর্ণব হাত বাড়াল। তিতলি ধরল।
এক সেকেন্ড।
তারপর সামলে নিল নিজে। হাত ছেড়ে দিল।
কিন্তু সেই এক সেকেন্ডের স্পর্শ — প্রথম। দুজনেই বুঝল। কিছু বলল না।
অটোতে ফেরার পথে দুজন চুপচাপ। কিন্তু এই চুপচাপটা সকালের চুপচাপ থেকে আলাদা।
সকালে ছিল অপেক্ষার চুপ।
এখন এটা — পাওয়ার চুপ। যে চুপে কোনো অস্থিরতা নেই। শুধু শান্তি।
কদমতলার মোড়ে নামল। আজকের পরে যে সম্পর্কটা — সেটা আগের মতো অনিশ্চিত নয়। আজকে দুটো কথা বলা হয়েছে। ছোট্ট। কিন্তু পরিষ্কার।
তিতলি বলল, "আমি সরাসরি মানুষ। যা ভাবি বলি। কখনো কখনো বেশি বলে ফেলি।" "জানি।" "বিরক্ত লাগে না?"
"না। বরং ভালো লাগে। অনেক মানুষ আছে যারা সব বলে না। আপনি বলেন। এটা সাহসের কাজ।"
তিতলি একটু হাসল। "আমি নদীতে পাথর ছুঁড়েছিলাম আজকে।" "হ্যাঁ।" "আপনি বলেছিলেন ঢেউটা অনেক দূর যায়।" "হ্যাঁ।"
তিতলি একটু থামল।
"আজকের কথাগুলোও কি অনেক দূর যাবে?"
"যাবে।"
"শুভ সন্ধ্যা।" "শুভ সন্ধ্যা।"
রাতে অর্ণব ডায়েরি খুলল।
অনেকদিন লেখেনি। ডায়েরিটা ধুলো জমেছিল।
ডায়েরি
আজকে ইছামতীর পাড়ে বসেছিলাম।
নদী দেখলাম। নদীর চেয়ে বেশি অন্য কিছু দেখলাম।
দেখলাম — একটা মানুষ যে সত্যি কথা বলতে ভয় পায় না।
শুনলাম — আমিও।
দুটো শব্দ। কিন্তু এই দুটো শব্দে আজকের পুরো দিনটা ধরা আছে।
নদী বলেছিল — চলো। আজকে একটু এগোলাম।
জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল। বারাসাতের রাত। চাঁদ উঠেছে। পূর্ণিমার কাছাকাছি। আলো পড়েছে ছাদে, উঠোনে, রাস্তায়।
এই আলোয় পুরো শহরটা রুপোলি।
অর্ণব ভাবল — তিতলি কি এখন জানালায় দাঁড়িয়ে আছে? তিতলিও কি চাঁদ দেখছে?
"চাঁদটা দেখুন। আজকের রাতটা সুন্দর। — তিতলি"
"দেখছিলাম।" "সত্যি?" "সত্যি। ভাবছিলাম আপনিও দেখছেন কিনা।"
কিছুক্ষণ চুপ।
"দেখছিলাম। একই চাঁদ।"
অর্ণব ফোনটা বুকের কাছে ধরল। একটু। তারপর আবার আকাশের দিকে তাকাল।
একই চাঁদ।
একই আলো।
দুটো আলাদা জানালা থেকে।
কিন্তু একই চাঁদ।
✦ পঞ্চম পর্বের সমাপ্তি ✦
পরের পর্বে
সম্পর্কটা এগোচ্ছে। কিন্তু জীবন সবসময় সহজ নয়। অর্ণবের একটা ভালো, ও আরো বড় চাকরির সুযোগ এল — কিন্তু সেটা বারাসাতে নয়, অনেক দূরে। আর তিতলির বাড়িতে একটা কথা উঠল — যেটা সে আশা করেনি। দুটো ভালো মানুষের মাঝে জীবন কীভাবে প্রশ্ন রাখে — সেটাই আসছে পরের পর্বে।
অপেক্ষায় থাকুন — ষষ্ঠ পর্ব: "ভালোবাসা আর ভয়"
নদী শেখায় — থামলে হয় না। কিন্তু নদীও জানে, কখনো কখনো পাথর আসে মাঝপথে। তখনও চলতে হয় — একটু ঘুরে, একটু বেঁকে, কিন্তু চলতে হয়। অর্ণব আর তিতলির নদীতেও পাথর আসছে। দেখা যাক — তারা কীভাবে পেরোয়।
