By Ziya Pub Apr 12 Upd Apr 12

বারাসাতের নীল আকাশ - পঞ্চদশ পর্ব : নতুন বছরের প্রথম মুহূর্ত ও এক টুকরো প্রেম

অর্ণব ও তিতলির নতুন বছরের শুরু। একত্রিশে ডিসেম্বরের রাতে বারাসাতের ছাদে আতশবাজি আর চায়ের আড্ডায় জমে ওঠে তাদের ভালোবাসার মুহূর্তগুলো।

বারাসাতের নীল আকাশ - পঞ্চদশ পর্ব : নতুন বছরের প্রথম মুহূর্ত ও এক টুকরো প্রেম

Bengali Serial Fiction  ✦  পঞ্চদশ পর্ব

বারাসাতের নীল আকাশ

"নতুন বছরের প্রথম মুহূর্ত"


একত্রিশে ডিসেম্বর — বারাসাত আলোয় ভাসছে

একত্রিশে ডিসেম্বর। বারাসাতে এই দিনটা অন্যরকম।

সারাদিন একটা উত্তেজনা থাকে — যেন পুরনো কিছু শেষ হচ্ছে, নতুন কিছু আসছে।

রাত বাড়লে আতশবাজি শুরু হয়। ছাদে ছাদে মানুষ। আকাশে আলো।

বারাসাতের নতুন বছর আসে আলোয় ভেসে।

সকালের মেসেজ

"আজ রাতে কী করবে?"    "জানি না। তুমি?"    "ভাবছি।"    "কী ভাবছ?"

"তোমার সাথে নতুন বছর শুরু করতে চাই।"    "কোথায়?"    "তোমার ছাদে।"

"আমার ছাদে?"    "হ্যাঁ। তোমার ছাদ থেকে বারাসাত দেখতে ভালো লাগে। তুমি বলেছিলে।"

"রিয়াও আসবে। আর রিয়ার বন্ধু।"    "ঠিক আছে।"    "মা-বাবা থাকবেন?"

"বাবা-মা পাড়ার অনুষ্ঠানে যাবেন।"    "তাহলে ছাদটা আমাদের।"    "হ্যাঁ।"

মা বললেন, "কেউ আসবে?"    "তিতলি আসবে। রিয়া আসবে।"    "চা করব।"    "করো।"

মায়েরা খাওয়ানোর সুযোগ পেলে খুশি হন।


রাত আটটায় এল।

তিতলি। রিয়া। রিয়ার বন্ধু সৌম্য। তিতলি আজ শীতের পোশাকে। উলের চাদর গায়ে। চুল খোলা। গালে ঠান্ডায় লাল।

"এসেছ।"    "এসেছি।"

রিয়া বলল, "অর্ণব, শুভ নববর্ষ আগেভাগে।"    "এখনো চার ঘণ্টা বাকি।"    "আগে বললে ক্ষতি নেই।"

মা দেখলেন। তিতলিকে দেখে মুখ উজ্জ্বল। "এসো মা।"    তিতলি প্রণাম করল। মা আশীর্বাদ করলেন। "ঠান্ডায় থেকো না বেশিক্ষণ।"

ছাদে। চারজন। বারাসাতের শীতের রাত।

রিয়া বলল, "বাহ। এই ছাদটা সত্যিই সুন্দর।"    "হ্যাঁ। বলেছিলাম না।"    "বলেছিলি।"

"ওই দিকে কী?"    "ওইদিকে কদমতলা।"    "আর ওইদিকে?"    "স্টেশন।"

তিতলি স্টেশনের দিকে তাকাল।

"ওইদিক থেকে শুরু হয়েছিল।"    রিয়া বলল, "কী শুরু হয়েছিল?"

তিতলি হাসল। "সব।"

মা চা নিয়ে এলেন। "ছাদে। পাগল ছেলেমেয়ে।" তিতলি হাসল। "মাসিমা, আপনিও থাকুন।" "না না। তোমরা থাকো।" চা রেখে গেলেন।

চা হাতে নিল সবাই।

শীতের রাতে চা। পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো অনুভূতিগুলোর একটা।

রিয়া আর সৌম্য একটু দূরে সরে গেল। অর্ণব আর তিতলি রেলিংয়ের কাছে। পাশাপাশি।

"এই বছরটা কেমন ছিল?"    "ভালো।"    "শুধু ভালো?"

অর্ণব একটু ভাবল।

"এই জীবনের সেরা বছর। কারণ এই বছর তোমাকে পেয়েছি।"

তিতলি চুপ করে রইল। চায়ে চুমুক দিল। "আমিও।"

"কী?"    "আমার জীবনের সেরা বছর।"

"কী কী হয়েছে?"

তিতলি একটু হাসল। "গুনব?"

স্টেশন · শব্দলোক · ইছামতী · বৃষ্টি · দোল · প্রদর্শনী · দুই পরিবার

"আর অনেক ছোট ছোট জিনিস। রাতের ফোন। সকালের মেসেজ। নিতাইদার চা। একটা ছাতায় দুজন।"

"এগুলো ছোট। কিন্তু এগুলোই আসল।"

"বড় মুহূর্ত মনে থাকে। কিন্তু ছোট মুহূর্তগুলো ভালোবাসাকে তৈরি করে।"

রাত দশটা। দূরে আতশবাজি শুরু।

রিয়া চিৎকার করল, "দেখো!" একটা আতশবাজি। সবুজ। আকাশে ফুটল। তারপর মিলিয়ে গেল।

"সুন্দর।"    "হ্যাঁ।"    "কিন্তু একটু দুঃখেরও।"    "কেন?"

"কারণ এত সুন্দর। কিন্তু এক মুহূর্তেই শেষ।"

"কিন্তু মনে থাকে। মুহূর্ত শেষ হলেও মুহূর্তের অনুভূতি থাকে।"

"তোমার সাথে প্রতিটা মুহূর্ত এরকম মনে হয়। মনে হয় — এটা মনে রাখব।"


রঙিন আকাশের নিচে — রাত এগারোটা

রাত এগারোটা। আতশবাজি বাড়ছে।

বারাসাতের আকাশ রঙিন হচ্ছে। লাল। হলুদ। সবুজ। নীল। রিয়া আর সৌম্য নিজেদের মধ্যে মগ্ন। অর্ণব আর তিতলি। পাশাপাশি।

"অর্ণব।" "হুম।" "একটা কথা বলব?" "বলো।"

তিতলি একটু থামল। আকাশ দেখল।

"এই বছরে অনেক কিছু হয়েছে। কিন্তু একটা জিনিস এখনো বাকি।"

"আমরা অনেক কথা বলেছি। অনেক জায়গায় গেছি। দুই পরিবার বসেছে। কিন্তু একটা কথা — সরাসরি — এখনো হয়নি।"

"কী কথা?"

তিতলি ঘুরল। অর্ণবের দিকে। সরাসরি তাকাল।

"তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাও?"

আকাশে আতশবাজি। নিচে বারাসাত। ছাদে দুজন। এই প্রশ্ন।

এত সরাসরি। এত তিতলির মতো।

সেই কালো গভীর চোখ। একটু ভয়। কিন্তু সাহস। সবসময়ের মতো।

অর্ণব হাসল।

"তুমি জিজ্ঞেস করলে?"    "হ্যাঁ।"    "আমার জিজ্ঞেস করার কথা ছিল।"    "তুমি দেরি করছিলে।"    "আজকে করতাম।"

তিতলি একটু অবাক। "সত্যি?"    "সত্যি। আজ রাতে বলব ভেবেছিলাম।"

"আমি আগে বললাম।"    "বললে। তুমি সবসময় আগে বলো।"    "কারণ আমি সরাসরি মানুষ।"    "জানি।"    "উত্তর দাও।"

অর্ণব তিতলির দিকে তাকাল। সেই প্রথম দিনের কথা মনে পড়ল। স্টেশনের বেঞ্চ। হলুদ মলাটের বই। ঠোঁটের কোণের হাসি। এক বছরের পথ।

"হ্যাঁ।"

একটা শব্দ। ছোট। কিন্তু এই শব্দটায় সারাটা বছর। সারাটা জীবন।

তিতলির চোখে জল। কিন্তু মুখে হাসি। সেই হাসি। প্রথম দিনের। কিন্তু আজকে সবচেয়ে উজ্জ্বল।

"কাঁদছ?"    "না।"    "মিথ্যে।"    "একটু।"    "কেন?"

"কারণ এতদিন ধরে এই মুহূর্তটার কথা ভেবেছিলাম। এখন এল।"

"সত্যি মনে হচ্ছে না।"    "সত্যি।"    "জানি।" তিতলি হাসল। "সেটাই অবাক লাগছে।"

রিয়া পাশ থেকে দেখছিল। এগিয়ে এল। তিতলিকে জড়িয়ে ধরল। "শুনলাম।" "রিয়া—" "কানে কম শুনি না।" রিয়া হাসল।

তারপর অর্ণবের দিকে তাকাল। "অর্ণব।" "হুম।"

"ভালো রেখো।"    "রাখব।"    "কথা কিন্তু।"    "কথা।"

রিয়া আবার জড়িয়ে ধরল তিতলিকে। তারপর সরে গেল। সৌম্যর কাছে।

রাত বারোটার দিকে। পাঁচ মিনিট বাকি।

রিয়া বলল, "কাউন্টডাউন করব?"

দশ নয় আট সাত ছয় পাঁচ চার তিন দুই এক

বারোটা।

আকাশে আলোর বন্যা। চারদিক থেকে আতশবাজি।

বারাসাত ফেটে পড়ছে আনন্দে।


মধ্যরাত — আলোয় আলোকিত মুখ

অর্ণব তিতলির দিকে তাকাল। তিতলি তাকিয়ে আছে আকাশে। আলোয় মুখ আলোকিত। চোখে আলো। লাল। হলুদ। সবুজ। নীল। সব রং। এক মুখে।

"তিতলি।"    ঘুরল। "শুভ নববর্ষ।"

তিতলি হাসল। "শুভ নববর্ষ।"

"এই বছরটা ভালো ছিল।" "হ্যাঁ।" "পরের বছর আরো ভালো হবে?"

"হবে। কিন্তু একসাথে থাকলে যা হয় — সেটা ভালোই হয়।"

আকাশে আতশবাজি। নিচে বারাসাত। ছাদে দুজন। পাশাপাশি।

হাতে হাত। আলতো।

যেভাবে ধরলে ভাঙে না। থাকে।

রিয়া দূর থেকে দেখছিল। সৌম্যকে বলল, "দেখ।"    "কী দেখছি?"    "দুটো মানুষ। যারা একে অপরের জন্য তৈরি।"

"তুমি রোমান্টিক।"

"না। আমি বাস্তববাদী। কিন্তু কিছু জিনিস বাস্তব হয়েও রোমান্টিক।"

রাত একটা। আতশবাজি কমল।

রিয়া বলল, "যাওয়া উচিত।" "আজকের রাত তোমাদের।" তিতলি বলল, "রিয়া—" "যাচ্ছি। শুভ নববর্ষ।" রিয়া আর সৌম্য চলে গেল।

ছাদে দুজন। অর্ণব আর তিতলি।

বারাসাতের নতুন বছরের প্রথম রাত। শীতের বাতাস। তারা।

"ঠান্ডা লাগছে?"    "একটু।"    "নামবে?"    "আরেকটু।"

"অর্ণব।" "হুম।" "একটা বছর পরে কোথায় থাকব?" "এখানেই।" "বারাসাতে?" "হ্যাঁ।" "একসাথে?" "হ্যাঁ।"

তিতলি একটু হাসল। "একসাথে মানে?"    অর্ণব তাকাল। "একসাথে মানে একসাথে।"

"তুমি কি জানো — তোমাকে দেখলে কী মনে হয়?"    "কী মনে হয়?"

"মনে হয় — এই মানুষটা আমার।"

অর্ণব চুপ করে রইল।

"আমারও। তোমাকে দেখলে মনে হয় — এই মানুষটা আমার।"

নিচ থেকে মা ডাকলেন। "অর্ণব, তিতলি — নিচে এসো। ঠান্ডা বেশি।"

দুজন হাসল। "আসছি মা।" তিতলি বলল, "মাসিমা অপেক্ষা করছেন।" "হ্যাঁ।" "নামি।" "একটু দাঁড়াও।"

অর্ণব আকাশ দেখল। একটু। তারপর তিতলির দিকে ঘুরল।

"তিতলি।" "হুম।"

"এই বছরে অনেক কিছু বলেছি। কিন্তু একটা কথা — সবচেয়ে সহজ কথাটা — ঠিকমতো বলিনি।"

তিতলি তাকাল। "কোনটা?"

অর্ণব তিতলির চোখে তাকাল। সরাসরি।

"I Love You"

তিনটা শব্দ। ছোট।

কিন্তু এই তিনটা শব্দে একটা বছর ধরা।

স্টেশন থেকে এই ছাদ পর্যন্ত।

হলুদ মলাটের বই থেকে এই শীতের রাত পর্যন্ত।

প্রথম হাসি থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত।

তিতলি চুপ। এক মুহূর্ত। তারপর।

"আমিও।"


নিচে। মা চা করেছেন।

"বসো। গরম চা খাও।" তিতলি বসল। মায়ের পাশে।

"মাসিমা।" "হুম।" "আপনি এখনো জেগে আছেন।" "তোমরা ছাদে ছিলে। ঘুমাব কীভাবে?"

তিতলি হাসল। "চিন্তা করছিলেন।"    "মায়েরা চিন্তা করেন।"

তিতলি মায়ের হাত ধরল। "আপনি ভালো মানুষ।"    মা একটু অবাক। "কেন হঠাৎ?"    "এমনিই। মনে হল তাই বললাম।"

মা হাসলেন। তিতলির মাথায় হাত রাখলেন। আস্তে। আশীর্বাদের মতো।

রাস্তায়। দুজন। শীতের রাত। বারাসাত ঘুমিয়ে।


কদমতলার মোড় — শেষ বিদায়, প্রথম রাত

হাঁটছে। হাতে হাত। কথা নেই।

কিন্তু এই নীরবতায় সব আছে।

অর্ণব তিতলিকে তার বাড়ি পর্যন্ত দিয়ে আসতে চাইছিল। কিন্তু সেই পুরনো মোড় টার কাছে এসে তিতলি বলল - 

"এখান থেকে একা যাব।"  

"কেন?"

"কারণ এই মোড়টা আমাদের। কারণ এখানেই বারবার বিদায় নিয়েছি। এই মোড়টা সব জানে।"

"এই মোড়ের পাথরগুলো জানে — কতবার এখানে দুজন দাঁড়িয়েছি।"

অর্ণব মোড়টা দেখল। পুরনো পাথরের মোড়। রাস্তার আলোয় চকচক করছে। "হ্যাঁ। জানে।"

"শুভ নববর্ষ।" "শুভ নববর্ষ।" "পরের বছর ভালো হবে।" "হবে।" "কথা?" "কথা।"

"অর্ণব।" "হুম।" "তুমি আজ বললে।" "কী বললাম?" "I Love You" "বললাম।" "ঠিকমতো শুনলাম তো?"

অর্ণব হাসল। "শুনেছ।"    "আবার বলো।"

অর্ণব তাকাল। তিতলির দিকে। শীতের রাতে। তারার আলোয়।

"I love You"

তিতলি হাসল। সেই হাসি। সব হাসির সেরা।

"আমিও।"

চলে গেল। গলিতে ঢুকল। গলির শেষে ঘুরল। হাত নাড়ল। অর্ণবও নাড়ল। তারপর অদৃশ্য।

অর্ণব দাঁড়িয়ে রইল। কদমতলার মোড়ে।

নতুন বছরের প্রথম রাতে। একা।

কিন্তু একা নয়।

ছাদে। একবার। শেষবার। এই বছরের।

এক বছর। কী ছিল না। এখন কী আছে।

তিতলি আছে। দুই পরিবার আছে। লেখা আছে। ভালোবাসা আছে। ভবিষ্যৎ আছে।

রাতের মেসেজ

"বাড়ি পৌঁছেছি। শুভ নববর্ষ।"    "শুভ নববর্ষ।"    "আজ রাতটা মনে থাকবে।"    "সারাজীবন।"    "হ্যাঁ।"

"তুমি জানো — এক বছর আগে আজকের রাতে আমি কী ভাবছিলাম?"

"ভাবছিলাম — নতুন বছরে কিছু একটা হোক। জানতাম না কী।"    "এখন জানো?"    "হ্যাঁ।"    "কী হয়েছে?"

"তুমি এলে আমার জীবনে"

অর্ণব পড়ল। আকাশের দিকে তাকাল। লিখল — "আমিও। এক বছর আগে জানতাম না। এখন জানি।"    "কী জানো?"

"জানি — তুমি আছ। আর এটুকুই যথেষ্ট।"

"শুভরাত্রি। ঘুমাও। নতুন বছর শুরু হয়েছে।"    "শুভরাত্রি।"    "স্বপ্ন দেখো।"    "কীসের?"

"আমাদের।"

ছাদে। বারাসাতের নতুন বছর। আকাশে তারা। হাওয়ায় ঠান্ডা।

কোথাও দূরে একটা শেষ আতশবাজি। আলো। মিলিয়ে গেল।

কিন্তু আলোর রেশ রইল।

পরের বছর। বিয়ে হবে। দুটো পরিবার একটা হবে। দুটো জীবন একটা হবে।

লেখা চলবে। ছবি চলবে। বারাসাত থাকবে। এই ছাদ থাকবে।

আর তিতলি থাকবে। সবকিছুর মাঝখানে।

ঘুমাতে গেল। শুয়ে। চোখ বন্ধ। মাথায় একটা কথা।

তিতলি বলেছিল — স্বপ্ন দেখো আমাদের।

দেখবে। সারারাত। সারাজীবন।

✦ পঞ্চদশ পর্বের সমাপ্তি ✦

পরের পর্বে — শেষ পর্ব

বসন্ত ফিরে এল। এক বছরের চক্র পূর্ণ হল। সেই স্টেশন। সেই বেঞ্চ। সেই বিকেল। অর্ণব আর তিতলি আবার এল সেখানে। যেখান থেকে শুরু। এক বছর পরে। হাতে হাত। মুখে হাসি। বারাসাতের নীল আকাশের নিচে।

অপেক্ষায় থাকুন — ষোড়শ পর্ব — শেষ পর্ব: "যেখান থেকে শুরু"

নতুন বছর আসে। পুরনো বছর যায়। কিন্তু কিছু কিছু জিনিস থাকে। ভালোবাসা থাকে। স্মৃতি থাকে। আর থাকে — বারাসাতের সেই পুরনো স্টেশন, সেই শব্দলোক, সেই কদমতলার মোড়, সেই শিমুলগাছ — যারা সব দেখেছে, সব জেনেছে, সব বুকে রেখেছে। একটা শহর দুটো মানুষকে দিয়েছে। আর দুটো মানুষ সেই শহরকে দিয়েছে — তাদের গল্প। চিরকালের জন্য।

Analytics

Unique visitors

0

Visits

0

Reactions

0

💬 Comments (0)

No comments yet.

💌 Share Your Opinion With Us

📖 Read More Articles

Explore more articles and discover interesting stories from our blog.

View All Articles →