নির্জন রাতের নিস্তব্ধতা
নির্জন রাতের নিস্তব্ধতায় নিজেকে নতুন করে চিনে নেওয়ার এক আবেগঘন গল্প। একাকীত্বের মাঝেও যে আনন্দ এবং আত্মোপলব্ধি লুকিয়ে থাকে, তারই এক অলিখিত দলিল এই লেখাটি।
নির্জন রাতের নিস্তব্ধতা
একটি অন্তরের কথা — নিভৃত রাতের ভাষায়

এই যে নির্জন প্রতিটি নির্ঘুম রাত তোমাকে সাথে নিয়ে কী সুন্দর ভাবে কাটিয়ে দিচ্ছি এর থেকে সুন্দর আর কী হতে পারে বলো তো?
এই যে চার দেওয়ালের বন্ধ ঘরে একলা ভীষন, কথা বলার মতোন ও কেউ নেই, বাইরে কুয়াশার টিপটিপ আওয়াজ, চারিদিকে গাঢ় অন্ধকার এর চাঁদর, দূর থেকে বাতাসে ভেসে আসা শেয়াল বা কুকুরের হাঁকডাক । এই মুহূর্তটির সাক্ষী তো সেই তুমি ই।
শীতের চাঁদরের মতো জড়িয়ে থাকো তুমি আমাকে। গভীর রাতের নিস্তব্ধতার মতো আগলে রাখো আমায়।
সুন্দর মূহূর্তের কথা ভেবে হঠাৎ আপনমনে হেসে ওঠা অথবা বাঁধ না মানা অজস্র নোনাজল এর বহতা সবকিছুই তো তোমাকে ঘিরে। ঘুমোতে ইচ্ছে হলেই ঘুম, না হলে নির্ঘুম চোখে সিলিং এ থাকা পাখা টার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা সবকিছুর জন্য তো তুমি ই আছো। তুমি না থাকলে কি করে পেতাম বলো এতো মূল্যবান মূহুর্তে গুলো।

আজ নিজেকে চিনতে পারা, বুঝতে পারা আমি কেমন, আমি কী চাই বা কী চাই না। কোনটা ধরে রাখা উচিত আর কী ছাড়া উচিত, কী পেলে স্বস্তি আর কোনটা অস্বস্তিকর তোমাকে পেয়েছি বলেই তো বুঝেছি।
নিজেকে নির্বাসিত করার মাঝেও যে এতো আনন্দ তোমাকে না পেলে বুঝতাম ই না। আজ তাই তো তোমার মাঝেই নিজেকে কাটানোর ইচ্ছা এতো তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।
তুমি আমার অলিখিত ভালো থাকার দলিল হয়ে গেছো আজ। আমার অবর্ণিত ভালোবাসা।
ইতি
তোমার অলিখিত অনুসারী
