বাইক বিক্রির 'মিশন ইমপসিবল': যখন ক্রেতারা আসেন ম্যাগনেট আর ধূপকাঠি নিয়ে
গিন্নির কড়া নির্দেশ আর পকেটের টান—সব মিলিয়ে শখের বাজাজ পালসারটা বিক্রি করতে নেমেছিলেন লেখক। কিন্তু ডজনখানেক ক্রেতার অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা, জ্যোতিষতত্ত্ব আর অদ্ভূত দরদাম সামলাতে গিয়ে যা ঘটল, তা কোনো কমেডি সিনেমার চেয়ে কম নয়। কেন শেষ পর্যন্ত বাইকটি গ্যারেজেই রয়ে গেল? জানতে পড়ুন এই হাসির হাহাকারমাখা দিনলিপি।
আমি ঠিক করলাম, বাইকটা বেচে দেব।
কারণ সহজ। বাইকটা পুরনো হয়েছে, পেট্রোল খায় বেশি, আর গিন্নি রোজ বলছেন — "ওই লোহার ভূতটা গ্যারেজ থেকে বের করো, নইলে আমি বের হব।"
তো বেচতে হবে। দেশের আইন না, গিন্নির আইন।

🏁 শেষ কথা
বাইকটা এখনও গ্যারেজে আছে।
গিন্নি এখন গ্যারেজে ঢোকেন না।
আমি বাইকটাকে মাঝে মাঝে দেখি। বাইকটাও আমাকে দেখে।
আমরা দুজনেই জানি — এই সম্পর্ক শেষ হওয়ার না।
হয়তো এটাই নিয়তি। হয়তো বাইক বিক্রি না হওয়াটাই ঈশ্বরের ইচ্ছা।
(দেখুন, ধর্মের প্রভাব আমার মাথাতেও ঢুকে গেছে।)
পরিশেষে বলি — পরের জন্মে বাইক কিনব না। সাইকেল কিনব। সেটাও বিক্রি হবে না। কিন্তু অন্তত ক্রেতারা ম্যাগনেট আনবে না।
— সমাপ্ত 🏍️💨


